বেঙ্গল সাফারির দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের চূড়ান্ত ব্লু প্রিন্ট তৈরি
দি নিউজ লায়ন ; লকডাউনে দীর্ঘদিন আটকে পড়া বেঙ্গল সাফারির দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের চূড়ান্ত ব্লু প্রিন্ট তৈরি। তবে দীর্ঘ সময়ের থেমে থাকা একাধিক কাজ চটজলদি মেটাতে প্রক্রিয়াকরনে জোড় সাফারি কর্তৃপক্ষের।বেঙ্গল সাফারি সংযোজনের কাজে কাঁটা হয়েছে করোনা। শিলিগুড়ির অদূরে বেঙ্গল সাফারি পার্কে দ্বিতীয় পর্যায়ে একাধিক প্রকল্প রূপায়ণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
বেশ কয়েকবার পর্যটন মন্ত্রী ও তৎকালীন বনমন্ত্রী সাফারিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে নিশাচর প্রানীদের নকটারনাল হাউস, প্রজাপতি পার্ক, ওয়াকিং এভিয়্যরি সহ একাধিক নতুন চমক আনার কথা জানান। সে কাজ দ্রুত গতিতে করার কথাও বলা হয়। শিলিগুড়ির অদূরে বন্যপ্রাণ উদ্যান শালুগাড়ায় বেঙ্গল সাফারি পার্ক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প। তবে লকডাউনের জেরে সাফারির দ্বিতীয় পর্যায়ের সংযোজনের কাজ আটকে পড়ে।
নানা নিশাচর প্রাণীদের আস্তানা নকটারনাল হাউস ও প্রজাপতি পার্ক নতুন চমক হিসেবে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাঙলোরের বাটারফ্লাই পার্কের দ্বিতীয় ছোট সংস্করন হয়ে উঠবে সাফারির এই প্রজাপতি পার্ক। যা পর্যটকদের আরও বেশি সাফারির প্রতি আকৃষ্ট করে তুলবে। পাশাপাশি প্রজাপতিদের হরেক প্রজাতির বৈচিত্র ও জীবনচক্র সম্পর্কে জানতে পারবে এর মধ্য দিয়ে পর্যটকেরা।
তবে করোনার জন্য এক বছর পিছিয়ে গিয়েছে সাফারি দ্বিতীয় পর্যায় সংযোজনের এই কাজ বলে জানান সাফারির ডিরেক্টর বাদল দেবনাথ। তিনি বলেন একটি বেসরকারি কনসালটেন্সি ফার্ম এই কাজের পরিকল্পনার দায়িত্বে রয়েছে। ইতিমধ্যেই জু অথরিটি মেম্বার কমিটির কাছে একটি পরিকল্পনার রিপোর্ট পেশ করেছে তারা। তবে তাতে কিছু সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে সেই মোতাবেক চূড়ান্ত ব্লুপ্রিন্ট তৈরির কাজ চলছে।
পাশাপাশি ডিরেক্টর জানান এই কাজ অনেক আগেই শুরু হওয়ায় কথা ছিল।তবে করোনার জন্য প্রায় একবছর পিছিয়ে গেলো। তবে এখন দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Post a Comment